বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে আমেরিকার হামলায় বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইরানের বিমান ও নৌবাহিনীর ৮ সেনা নিহত হয়েছে। তবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালু রেখেছে ইরান। এর পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের শহর সিরিকে এবং কোনাহার ও চাবাহার বন্দরেও আমেরিকার হামলার পর বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) দিবাগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের বার্তা সংস্থা মেহের। খবর: আল জাজিরা।
আজ রাতেই হবে কঠিন হামলা-যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন হুমকির পরই মার্কিন বাহিনীর হামলায় ইরানের ৮ সেনা নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।
ইরনা জানায়, বন্দর আব্বাস ও বুশেহরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহতরা ছিলেন ইরানের বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্য।
মেহের জানিয়েছে, বন্দর আব্বাসের কাছে শত্রু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করছে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
ইরানের বার্তা সংস্থা মেহের ও ফারস আরও জানিয়েছে, বন্দর আব্বাসের পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের শহর সিরিকে এবং কোনাহার ও চাবাহার বন্দরেও আমেরিকার হামলার পর বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে এক এক্স পোস্টে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে দেশটির বাহিনী ইরানের ওপর আবার হামলা করেছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের বাধা সৃষ্টির সক্ষমতা কমাতেই এই হামলা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টকম।
অন্যদিকে, আমেরিকার ‘দুঃসাহসিকতা’র সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আলী আকবর বেলায়েতি। তিনি গাল্ফ অঞ্চলে পুনরায় অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য আমেরিকাকে দায়ী করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ নিজের অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে বেলায়েতি লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সমঝোতা স্মারক ভঙ্গে ট্রাম্পের মৌখিক সম্মতি এই অঞ্চলকে আরও একবার আগুনের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
তিনি লেখেন, আমরা আগেই সতর্ক করে দিয়েছিলাম যে এই অঞ্চল ছোট দেশগুলো রাজনৈতিক জুয়া খেলার কোনো জায়গা নয় এবং আমরা এটা বারবার দেখিয়েছি যে দুঃসাহসিকতার তাৎক্ষণিক সমুচিত জবাব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইরানের আঙুল ট্রিগারেই রয়েছে এবং ইরান চুপ করে থাকবে না।
E-mail:dailysamadhan24@gmail.com
© 2026 সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | DailySamadhan.com