Daily Samadhan
Wednesday , 8 July 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাল মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরির অভিযোগে বদলি হলেন বেবিচক প্রকৌশলী শরিফুল

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
July 8, 2026 10:14 pm

জাল মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে প্রায় ২৫ বছর চাকরি করার অভিযোগে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলামকে অন্য দপ্তরে বদলি করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে জাল সনদ, দুর্নীতি ও সরকারি সুবিধা নেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা সত্ত্বেও কেবল বদলির সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। বুধবার (৮ জুলাই) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান।

তিনি বলেন, বুধবার (৮ জুলাই) বেবিচকের প্রশাসন বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তিরান হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, সিভিল সার্কেল প্রকল্পে কর্মরত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামকে পিডিকিউ অ্যান্ড কিউএস সার্কেলে পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে ওই সার্কেলে সংযুক্ত রেখে পরিচালক (এরোড্রাম স্ট্যান্ডার্ড), এফএস অ্যান্ড আর বিভাগে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

গত জুনে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০০১ সালে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে বেবিচকে নিয়োগ পান শরিফুল ইসলাম।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, সরকারি মুক্তিযোদ্ধা গেজেট ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা ডেটাবেইসে তাঁর বাবার নাম নেই। পরে তার চাকরি-সংক্রান্ত নথিপত্রে চারটি পৃথক মুক্তিযোদ্ধা সনদের তথ্য পাওয়া যায়।

অভিযোগ অনুযায়ী, চারটি সনদে ভিন্ন ভিন্ন তারিখ, আলাদা স্মারক নম্বর এবং বিভিন্ন ব্যক্তির স্বাক্ষর রয়েছে। কোনো সনদে জেনারেল এম এ জি ওসমানীর, কোনো সনদে সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের, কোনো সনদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবং অন্য একটি সনদে সেক্টর কমান্ডার আহাদ চৌধুরীর স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ সরকারি গেজেট ও জাতীয় ডেটাবেইসে তার বাবার নাম না থাকায় এসব সনদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্তের নির্দেশ দেয়। এ বিষয়ে বেবিচক চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠিতে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে দ্রুত মন্ত্রণালয়কে অবহিত করতে বলা হয়।

জাল সনদের অভিযোগের পাশাপাশি শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে বেবিচকের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে আর্থিক অনিয়ম, কাওলা আবাসিক কোয়ার্টার রক্ষণাবেক্ষণে অর্থ আত্মসাৎ এবং কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত ও মামলা চলছে।

এসব অভিযোগ তদন্তাধীন থাকা অবস্থায় তাকে কেবল এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে বদলি করা হয়েছে। বদলির আদেশে অভিযোগ বা চলমান তদন্তের বিষয়ে কোনো উল্লেখ নেই। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত একজন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থা কি শুধুই বদলিতে সীমাবদ্ধ থাকবে; নাকি তদন্ত শেষ হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে এ বিষয়ে বেবিচক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তদন্তের অগ্রগতি বা সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

ঠাকুরগাঁওয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২

কাপ্তাই হ্রদে পানির তীব্র চাপ, খুলে দেওয়া হচ্ছে ১৬ কপাট

তিস্তা প্রকল্প নিয়ে ভারতের উদ্বেগের জবাব দিল চীন

জ্বালানি নিরাপত্তায় সহায়তা দেবে কাতার

হাম ও উপসর্গ দেশে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি,একদিনে প্রাণ কাড়ল আরও ৫ শিশুর, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫৫ জনে

ইইউ’র ৬১ বাণিজ্য বাধার মধ্যে ৪৮টির সমাধান,বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পথে নতুন অগ্রগতি

ব্যয়ের হিসাব জমা না দেওয়ায় এনসিপিসহ ৭ দলকে শোকজ ইসির

জুলাইয়ের শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের চাকরির নিয়োগপত্র প্রদান সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস, স্কুল বন্ধ ঘোষণা

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ