
বিআরটিএ অফিসে আগত গ্রাহকদের হয়রানি দূর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মিরপুর-১৩, বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ কার্যালয়কে দালালমুক্ত করার উদ্দেশ্যে ১৬ আগস্ট দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিআরটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাজিদ আনোয়ার।
অভিযানে সহযোগিতা করেন বিআরটিএ’র কর্মরত আনসার কমান্ডার (পিসি) মো. খোরশেদ আলম, এপিসি মো. আল মিজানসহ অন্যান্য সদস্যরা। অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ছয় দালালকে আটক করেন। আটককৃতরা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর কাছে তাদের দোষ স্বীকার করেন। দোষ স্বীকার করার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চারজনকে অর্থদণ্ড করেন ও দুজনকে কারাদণ্ড দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ১) মো. শওকত আলী (৫৬), ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড।
২) মোহাম্মদ সুজন (৩০) ,১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড। এবং চারজনকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করে ছেড়ে দেন। পরে
কাফরুল থানার পুলিশের মাধ্যমে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানোর হয় ।
এ বিষয়ে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাজিদ আনোয়ার বলেন, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা বিআরটিএ অফিসে আগত গ্রাহকদের দ্রুত কাজ করিয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায় করে। তাই দালাল ও প্রতারকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এই অভিযানের বিষয়ে বিআরটিএতে কর্মরত আনসার কমান্ডার (পিসি) মো. খোরশেদ আলম জানান, আমরা সার্বক্ষণিক দালাল ও প্রতারকদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি। দালাল ও প্রতারকমুক্ত বিআরটিএ’র অফিস গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমাদের এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


















