Daily Samadhan
Wednesday , 19 August 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় জেএমবির দুই সদস্যের ২০ বছরের কারাদণ্ড

প্রতিবেদক
এ কে পলাশ
August 19, 2026 8:01 pm

কুমিল্লায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) দুই সদস্যকে ২০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় খালেদা আক্তার রানী নামে এক নারীকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
বুধবার (১৯ আগস্ট) কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৬) আদালতের বিচারক খাইরুননেছা এ রায় ঘোষণা করেন।

২০ বছর করে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন: মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিন্টু, ওরফে সামাদ, ওরফে রাজীব এবং মোহাম্মদ দুরুল হুদা ওরফে হাসান। মোস্তাফিজুর রহমানের বাবার নাম আয়নাল হক ওরফে রুহুল কুদ্দুস মাস্টার। তার বাড়ি নওগাঁর সাপাহার উপজেলার কলমিডাঙ্গা গ্রামে। অপর আসামি দুরুল হুদার বাবার নাম মো. আলী হোসেন। তার বাড়ি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ২ নম্বর চকপাড়া এলাকায়।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, জেএমবির প্রধান শায়খ আব্দুর রহমান তৎকালীন রিমান্ডে থাকাকালে দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২০০৬ সালের ১৩ মার্চ কুমিল্লা নগরীর বিষ্ণুপুর এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারসহ মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

মামলার বিচার কাজে বিভিন্ন সময়ে ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এ ছাড়া আসামিদের জবানবন্দি, জব্দ তালিকা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম এবং বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারের বিষয় আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

আদালত এসব সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেন।
রায় ঘোষণার পর আদালতের সাজা পরোয়ানামূলে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের পুলিশ পাহারায় প্রিজনভ্যানে করে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

আইন কর্মকর্তাদের কেউ অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আল-কায়েদা নিয়ে জাতিসংঘের রিপোর্ট আওয়ামী প্রোপাগান্ডা

উচ্চশিক্ষার জন্য ৭৪ লাখ টাকার বৃত্তি পেলেন মেধাবী জেমি

বিক্ষোভের মুখে সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত করলেন জেলেনস্কি

কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া শশীদলে ১৬ বোতল স্কাফ সিরাপসহ নারী গ্রেপ্তার

কুমিল্লায় ক্যান্সার আক্রান্তদের মাঝে নগদ সহায়তা ও ঔষধি চারা বিতরণ

মায়ানমারে সংঘাতে বাংলাদেশে ফের রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা

বিদায়ী অর্থবছরে প্রবাসী আয়ের পালে হাওয়া, রিজার্ভে স্বস্তি

জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ: প্রধানমন্ত্রী

* যাত্রী অধিকার দিবস আগামীকাল এখনও ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় পরিবহন খাত * থামছেই না যাত্রী হয়রানি নিজস্ব প্রতিবেদক আগামীকাল ১৩ সেপ্টেম্বর (রোববার) ‘যাত্রী অধিকার দিবস’। যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, সড়ক দুর্ঘটনা ও গণপরিবহনে অনিয়মের বিরুদ্ধে দাবি আদায়ের প্রতীকী দিবস হিসেবে প্রতিবছর দেশে ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, দেশে দফায় দফায় বাড়ছে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য। একই সঙ্গে কমছে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীর নিরাপত্তা। সংগঠনটির দাবি, বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন এলেও পরিবহন খাতে তেমন অগ্রগতি হয়নি; এ খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় রয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে অষ্টমবারের মতো দিবসটি পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা জরুরি।’ দিবসটি উপলক্ষে যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘব, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, যাত্রী হয়রানি, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধের মাধ্যমে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি সামনে আনতেই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে দেশে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালন শুরু হয়। ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে দিবসটি পালন করে আসছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, বৈশ্বিক যুদ্ধ ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগে শিথিলতাসহ নানা কারণে দেশে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য দফায় দফায় বাড়ছে। একই সঙ্গে কমেছে মানুষের যাতায়াতের নিরাপত্তা। পথে পথে ছিনতাই, সড়কে ডাকাতি, দুর্ঘটনাসহ নানা আতঙ্কের মধ্য দিয়ে প্রতিদিন মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতাও বন্ধ হচ্ছে না বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও পরিবহন খাতে তেমন পরিবর্তন আসেনি। পরিবহন খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব বাস্তবতায় এবারের ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।