Daily Samadhan
Tuesday , 25 August 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২ লাখ ভিসা বাতিল করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
August 25, 2026 6:20 pm

যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী ভিসায় প্রবেশ করে পরে আশ্রয়ের আবেদন করা বিদেশি নাগরিকদের ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির অংশ হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ যৌথভাবে এ কার্যক্রম শুরু করেছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, যেসব বিদেশি স্বল্প সময়ের জন্য পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে পরে স্থায়ীভাবে থেকে যাওয়ার উদ্দেশে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, তাদের শনাক্ত করে ভিসা বাতিল করা হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

যদিও কতজনের ভিসা বাতিল হবে, সে বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো সংখ্যা জানানো হয়নি, তবে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তে প্রায় দুই লাখ বিদেশি নাগরিকের বি-১ ও বি-২ ভিসা বাতিল হতে পারে। বাস্তবায়িত হলে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একসঙ্গে সবচেয়ে বড় ভিসা বাতিলের ঘটনা হবে।

এপির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ইস্যু করা সব বি-১ ও বি-২ ভিসা এই পর্যালোচনার আওতায় আনা হবে। তবে ভিসা বাতিল মানেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে দেশ ছাড়তে হবে—এমন নয়। বর্তমানে যাদের আশ্রয়ের আবেদন বিচারাধীন, তাদের অনেকের ভিসার মর্যাদা নতুন অভিবাসন শ্রেণিতে পরিবর্তন করা হতে পারে। তবে তারা পর্যটন বা ব্যবসায়িক ভিসাধারীর সুবিধা হারাবেন।

ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে এরই মধ্যে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে। এর আওতায় ভিসা ও গ্রিন কার্ড বাতিলের পাশাপাশি বিদেশি নাগরিকদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাও অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে “ভিত্তিহীন বা ভুয়া আশ্রয়ের আবেদনে” ভরে গেছে। তাই অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

এর আগে চলতি মাসেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই অভিযানের সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, কঠোর অভিবাসন নীতির ফলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া এবং জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে। বিভিন্ন সংগঠনের মতে, অনেক বৈধ আশ্রয়প্রার্থীও বৈষম্য ও নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়তে পারেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারে ডোনাল্ড ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে ক্ষমতায় এসে তার প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপ শুধু অবৈধ অভিবাসন নয়, বৈধ অভিবাসনের বিভিন্ন পথও কঠোর করেছে। এ নীতির বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকির পর ‘ধ্বংসাত্মক’ জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

কুমিল্লা জেলায় শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি ফারুক হোসেন

যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ১৭২ কর্মকর্তা

বালিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিভিল সার্জনের আকস্মিক পরিদর্শন

দেশে বর্তমানে সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নতুন উদ্ভাবনে মুখরিত রাজারহাটের খুদে বিজ্ঞানীদের স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শন

ফ্যাসিবাদী সরকারের জ্বালানি নীতির কারণেই বর্তমান সংকট : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

পার্বতীপুরে নদীতে গোসলে নেমে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

ভিডিও কনফারেন্সে লালমোহনে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করেলেন প্রধানমন্ত্রী