
রাজধানীর গুলশান এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ও পাকিস্তান দূতাবাসের সামনে থেকে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদফতর (ডিজিএফআই) অফিসার পরিচয়দানকারী এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত নাম মো. সাইফ ইমরান (৩৭)। শনিবার (২৯ আগস্ট) পাকিস্তানের দূতাবাসের সামনে সন্দেজনক ঘুরাফেরা করলে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে ডিজিএফআইয়ের
সহকারি পরিচালক (এডি) কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন বলে গুলশান থানা সুত্র জানান।
পরে তার গতিবিধি এবং কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তাকে আটক করে যাচাইবাছাই করার পর তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গতকাল রাতে তার বিরূদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করা হয়েছে।
গুলশান থানার এসআই মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গতকাল (২৯ আগস্ট) রাত সোয়া ৭ টায় গুলশান থানার অধীনে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের পাশে ও পাকিস্তান দূতাবাসের পশ্চিমে গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউতে একটি মোটরসাইকেল পার্ক করার সময় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। এর আগে গতকাল শনিবার ওই ব্যক্তি একই জায়গায় তার মোটরসাইকেলটি পার্ক করেছিলেন। পুলিশ সদস্যরা তাকে সেখানে পার্ক করতে নিষেধ করলে সে নিজেকে ‘সাইফ ইমরান এডি, ডিজিএফআই’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে জায়গাটি ছেড়ে চলে যান।
এরপরে সন্ধ্যা সোয়া ৭ টায় তিনি আবার একই জায়গায় ফিরে আসেন। তার পোশাক ও আচরণে সন্দেহ হওয়ায় পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি ডিজিএফআই বা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য নন। পরবর্তীতে ডিজিএফআই কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিষয়টি যাচাই করা হয়।
গ্রেফতার ইমরানের কাছ থেকে একটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রেইনকোট।একটি সেনাবাহিনীর মোবাইল ব্যাকপ্যাক।“ডিজিএফআই” চিহ্নিত একটি কালো ওয়ালেট।সেনাবাহিনীর লোগোযুক্ত কী-রি সহ দুটি চাবি।
দুটি মোবাইল ফোন — আইফোন ১১ এবং স্যামসাং এ১০এস।একটি অনিবন্ধিত সাদা রয়্যাল এনফিল্ড মোটরসাইকেল।এসআই আনোয়ার আরও বলেন, গ্রেফতার ইমরান রাজধানীর ভাটারা
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ব্লক – এফ এর ৪ নম্বর রোডের ১৯৮ বাড়ি থাকেন।তার গ্রামের বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের খাসা গ্রামে।তার পিতার নাম মঈন উদ্দিন আহমেদ। তার মায়ের নাম সিতারা আহমেদ।এঘটনায় গতকাল রাতেই এসআই (অবসরপ্রাপ্ত) উজ্জ্বল চক্রবর্তী বাদী হয়ে গুলশান থানায় মামলা করেছেন। মামলা নম্বর ৩৫। মামলায় ১৪০/১৭০/১৭১, দণ্ডবিধি, ১৮৬০ উল্লেখ করা হয়েছে।
#


















