
চিকিৎসা বিলে ছাড় দেওয়া নিয়ে বাকবিতণ্ডার জেরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সিটি হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুর এবং লুটপাট চালানো হয়েছে। এতে হাসপাতালটির ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার রাত তিনটার দিকে এক দল যুবক এ হামলা চালায়। এ হামলায় জড়িত সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।
চিকিৎসা বিলের ছাড় নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলা চালানো হয় এবং হামলায় গ্রাফিকস কলেজের শিক্ষার্থীরা জড়িত বলে অভিযোগ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাসপাতালটির এমডি চিকিৎসক শহীদুল বারী। তিনি জানান, ভোর তিনটার দিকে এক দল যুবক এসে আতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলা পরিকল্পিত বলে মনে করেন তিনি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে আসমা নামের এক রোগীর বিলের ওপর ছাড় দেয়ার অনুরোধ করেন তার স্বজনরা। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু টাকা ছাড় দেন। কিন্তু তারা আরও ছাড় দেওয়ার দাবি জানান। এক পর্যায়ে শুরু হয় বাগ্বিতণ্ডা। পর ওই রোগী চিকিৎসা নিয়ে চলে যান। এরপর হাপসাতালটিতে জড়ো হন কয়েকজন দূবৃত্ত। তারা এক যোগে হামলা চালান।
এ সময় রিসিপশনে জিনিসপত্র, নিচ তলার বসার জায়গা, বাউন্ডারী গ্লাস ভাংচুর করা হয়।
এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, এ হামলায় সরকারী গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা জড়িত।
সিটি হাসপাতাল লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ উসমান গনী জানান, তারা কিছু বুঝে ওঠার আগেই এসে হামলা চালায়। এই হামলায় গ্রাফিক আর্টস কলেজের ভেতর থেকে লোকজন এসেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, তারা কলেজটির আবাসিক হলের ছাত্র।
তিনি আরও জানান, তারা হাসাপাতালের নিচতলায় থাকা সকল জিনিসপত্র ভাংচুর করেছে। সেই সঙ্গে লুটপাটও চালিয়েছে। ফলে তাদের ৫০-৬০ লাখ টাকার মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় সকালে হাসপাতালে পুলিশের কর্মকর্তারা হাসপাতালটির পরিদর্শন করেছেন। তবে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশকে এ বিষয়ে কল করা হলেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ হামলার পর হাসপাতালটিতে চিকিতসাধীন রোগী ও স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
#


















