Daily Samadhan
Wednesday , 22 July 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যারা

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
July 22, 2026 8:37 am

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপি এবং বিভিন্ন সেবা সংস্থার বিলখেলাপিরা প্রার্থী হতে পারবেন না।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের দ্বাদশ সভায় এসব সুপারিশ অনুমোদন করা হয়। সভায় চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানান, কমিশনের মতামত অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্য হবেন না।

তিনি বলেন, ঋণখেলাপির ক্ষেত্রে শুধু ব্যক্তিগতভাবে ঋণগ্রহীতা বা বন্ধকদাতাই নন, কোনো ঋণের জামিনদার হয়ে ঋণখেলাপির দায়ে পড়লেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এ বিষয়ে কমিশন নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ, ওয়াসা, গ্যাস, ভূমি কর বা অন্যান্য সরকারি সেবা সংস্থার বকেয়া বিল পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেও নির্বাচনে অযোগ্য হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা মালিক হন এবং সেই প্রতিষ্ঠান সরকারি কোনো বিল বকেয়া রাখে, তাহলে সেটিও প্রার্থিতার ক্ষেত্রে অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য হতে পারে।

এদিকে লাভজনক পদে কর্মরত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রাখার সুপারিশ করেছে কমিশন। পাশাপাশি সংবিধানের বিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদেরও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।

ইসি সচিব আরও জানান, এসব সুপারিশ সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের প্রস্তাব হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। সরকার ও সংসদ প্রয়োজনীয় বিবেচনার মাধ্যমে আইন সংশোধনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

এ ছাড়া নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা আরও সুস্পষ্ট করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

আখতার আহমেদ বলেন, বর্তমানে সব নির্বাচনী আইনে সশস্ত্র বাহিনীর বিষয়টি একইভাবে উল্লেখ নেই। তাই সব আইনে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে কমিশন মনে করছে।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন সংশোধনের এসব প্রস্তাব দ্রুত প্রস্তুত করে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। তবে আইন চূড়ান্ত করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের নয়; এ দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও জাতীয় সংসদের।

প্রয়োজনে এটিকে আরও সংবাদপত্রের প্রথম পাতার রিপোর্ট, অনলাইন নিউজ পোর্টালের স্টাইল, অথবা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্ট আকারেও সাজিয়ে দিতে পারি।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

বিমানবন্দরে নয়, শপিং মলে ডেকে বেনজীরকে ধরিয়ে দেন এমপি বন্ধু

হামলার হুমকি দিয়েও কেন পিছু হটলেন ট্রাম্প

ইসিকে স্বাধীনভাবে চোখ কান খুলে দায়িত্ব পালন করতে বলেছি: গোলাম পরওয়ার

এবারো দুই পর্বে হবে বিশ্ব ইজতেমা, তারিখ নির্ধারণ

ডিমলায় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে থানায় বাবা

নবীজির আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকাসহ ৮ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

নিরাপদ সড়ক নিয়ে যেসব প্রশ্ন তুললেন জাইমা রহমান

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে এসএসসির পাসের হার ৬৫.৪২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৮১৪ জন

ইনুর রায়ে নাহিদের অসন্তোষ