
কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হেনেছে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প,রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৭.৪।
এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ৮০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পের তীব্রতায় কালিয় ও পেরেইরাসহ বড় বড় শহরের বহু ভবন ধসে পড়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
মার্কিন ও কলম্বিয়ান ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭টা ৩৪ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩৪ মিনিটে) এই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
এর কেন্দ্রস্থল ছিল পশ্চিমাঞ্চলীয় চোকো (Choco) বিভাগে। এর প্রভাবে প্রতিবেশী ভেনিজুয়েলাও কেঁপে ওঠে, যা গত ২৪ জুনের ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের ধাক্কা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
এই ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। দুর্যোগের প্রভাবও বাড়তে পারে।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে কলম্বিয়ার কফি উৎপাদনকারী অঞ্চল রিসারালদা প্রদেশে। প্রদেশটির গভর্নর হুয়ান দিয়েগো পাতিনিও জানিয়েছেন, সেখানে ৪২ জন নিহত হয়েছেন।
ভূমিকম্পের মাত্র কয়েক দিন আগেই দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তার সরকারের প্রথম বড় ধরনের সংকট।
ডানপন্থী এই রাজনীতিক এর আগে কখনো নির্বাচিত কোনো পদে ছিলেন না। বোগোতার উদ্দেশে বিমানে যাওয়ার সময় ধারণ করা এক ভিডিওতে তিনি জানান, ভূমিকম্পের পর নির্ধারিত সব কর্মসূচি স্থগিত করেছেন। রাজধানী থেকে তিনি নিজেই জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার সীমান্তবর্তী তাচিরা প্রদেশ এবং মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বারকিসিমেতোতে ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে।

















