Daily Samadhan
Monday , 12 October 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম সতীশ বাবু লাইন পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে শুভ মহালয়া শুভসূচনা

প্রতিবেদক
মিলন বৈদ্য শুভ
October 12, 2026 12:44 pm

“যা বিলীন হয়, তা কেবল রূপ; যা অনাদি থেকে অনন্ত, তাই অস্তিত্ব”—এই চেতনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যকে ধারণ করে চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানার সতীশ বাবু লাইন পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ১০ অক্টোবর শনিবার মহালয়া শুভসূচনা অনুষ্ঠিত হয়।

শুভ মহালয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন সতীশ বাবু লাইন পূজা উদযাপন পরিষদেরপ্রধান সমন্বয়কারী সুজিত সরকার,
প্রধান উপদেষ্টা মিলন কান্তি দাশ, দীপক কুমার পালিত, সভাপতি কাঞ্চন দত্ত, সাধারণ সম্পাদক রাজীব চক্রবর্তী এবং অর্থ সম্পাদক অনুপ সেনসহ পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সঞ্চালনায় ছিলেন প্রিয়পম আচার্য্য,
মহালয়া সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী অদিতি বিশ্বাস,

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

“শারদীয় দুর্গোৎসব-২০২৬। এবারের দুর্গোৎসবের গৌরবের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে ৮ দিনব্যাপী নানা ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও আচার-অনুষ্ঠানের বর্ণাঢ্য আয়োজন।

৯ অক্টোবর শুক্রবার মনোজ্ঞ ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীত প্রতিযোগিতা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, নৃত্য প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

১০ অক্টোবর শনিবার মহালয়া শুভসূচনা ও দেবপক্ষে বরণ এবং মাযের পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন , উলুধ্বনি প্রতিযোগিতা,শঙ্খধ্বনি প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ , ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ।

১৭ অক্টোবর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী মা দুর্গার সপ্তমীপূজা, পূজার শুভারম্ভ, পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন ও মহাপ্রসাদ বিতরণ।

১৮ ও ১৯ অক্টোবর রবিবার ও সোমবার অনুষ্ঠিত হবে মহাষ্টমী পূজা ও পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন। ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে মহানবমী পূজা, পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন ও অন্নপ্রসাদ বিতরণ।

সবশেষে ২১ অক্টোবর বুধবার অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী মা দুর্গার বিজয়া দশমী। এদিন পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন, দেবীর বিদায় পূজা ও দুর্গোৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজকরা জানান, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, সম্প্রীতি ও উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবারের আয়োজনকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

সতীশ বাবু লাইন পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গোৎসবের সকল ধর্মপ্রাণ ভক্ত, দর্শনার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের যথাসময়ে উপস্থিত থেকে উৎসবকে সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও প্রাণবন্ত করে তোলার জন্য বিনীত আহ্বান জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

মাদক-দুর্নীতি-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই, ঘরে ঘরে উন্নয়নের ছোঁয়া দিতে চাই : আইনমন্ত্রী

জামালপুরে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ ও প্রধান চালিকাশক্তি : রাষ্ট্রপতি

ছুটি শেষে ঢাকা ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীবাসী

বীরগঞ্জে জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান,ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ জনের কারাদণ্ড

নীলফামারী জেলার শ্রেষ্ঠ এসিল্যান্ড নির্বাচিত হলেন ডিমলার রওশন কবির

নাসিরনগরে শোক ও ত্যাগের মহিমায় পবিত্র আশুরা উদযাপন

বর্তমান সংসদকে দেশের ইতিহাসের সেরা হিসেবে দেখতে চাই: চিফ হুইপ

দীপু মনির স্বামী আর নেই

* যাত্রী অধিকার দিবস আগামীকাল এখনও ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় পরিবহন খাত * থামছেই না যাত্রী হয়রানি নিজস্ব প্রতিবেদক আগামীকাল ১৩ সেপ্টেম্বর (রোববার) ‘যাত্রী অধিকার দিবস’। যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, সড়ক দুর্ঘটনা ও গণপরিবহনে অনিয়মের বিরুদ্ধে দাবি আদায়ের প্রতীকী দিবস হিসেবে প্রতিবছর দেশে ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, দেশে দফায় দফায় বাড়ছে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য। একই সঙ্গে কমছে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীর নিরাপত্তা। সংগঠনটির দাবি, বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন এলেও পরিবহন খাতে তেমন অগ্রগতি হয়নি; এ খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় রয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে অষ্টমবারের মতো দিবসটি পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা জরুরি।’ দিবসটি উপলক্ষে যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘব, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, যাত্রী হয়রানি, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধের মাধ্যমে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি সামনে আনতেই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে দেশে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালন শুরু হয়। ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে দিবসটি পালন করে আসছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, বৈশ্বিক যুদ্ধ ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগে শিথিলতাসহ নানা কারণে দেশে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য দফায় দফায় বাড়ছে। একই সঙ্গে কমেছে মানুষের যাতায়াতের নিরাপত্তা। পথে পথে ছিনতাই, সড়কে ডাকাতি, দুর্ঘটনাসহ নানা আতঙ্কের মধ্য দিয়ে প্রতিদিন মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতাও বন্ধ হচ্ছে না বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও পরিবহন খাতে তেমন পরিবর্তন আসেনি। পরিবহন খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব বাস্তবতায় এবারের ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।