
মেয়াদ শেষ হলেও ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম অফিস ছাড়ছেন না। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মোটরসাইকেল জমা না দিয়ে তিনি তা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছেন। এমনকি সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা লোকজনকে কৌশলে নিজের চেম্বারে নিয়ে গিয়ে বাণিজ্য করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে আব্দুস সালামকে নির্ধারিত কক্ষে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। হাসপাতালের বাইরে পার্ক করা ছিল তার ব্যবহৃত সরকারি গাড়িটি।
সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পের মেয়াদ গত ৩১ মার্চ শেষ হয়। আর ৩০ জুন চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, প্রকল্প শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে যানবাহন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। তবে ২০২০ সালে যোগ দেওয়া এই কর্মকর্তা পাঁচ মাস ধরে সরকারি যানবাহনটি নিজের কাছে রেখেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও আব্দুস সালাম নিয়মিত সরকারি অফিসে আসেন বিশেষ একটি উদ্দেশ্যে। প্রাণিসম্পদ দপ্তরের মূল ফটকের সামনেই ‘আলফাডাঙ্গা ভেট কেয়ার প্লাস’ নামে একটি ব্যক্তিগত চেম্বার খুলেছেন তিনি। সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা লোকজনকে নানা কৌশলে ভুল বুঝিয়ে নিজের ওই ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়ে যান এবং চিকিৎসাসেবার নামে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রাণিসম্পদ দপ্তরে আব্দুস সালামের কক্ষে গেলে তিনি কোনো মন্তব্য না করে দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রভাষ চন্দ্র সেন বলেন, প্রকল্প শেষ হলেও ডেইরি সমবায় সমিতির নিবন্ধনসংক্রান্ত কিছু কাজ বাকি থাকায় মাঝেমধ্যে তিন�


















