
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে মাইলা নামের একটি গ্রামে রাশিয়ার ড্রোন হামলার পর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৭ জন নিহত এবং প্রায় ৪২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।
শনিবার (২৯ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়। হামলার পরপরই পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার ও জরুরি কার্যক্রম শুরু করে ইউক্রেনের বিভিন্ন সংস্থা।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, একটি গুদামে হামলার পর সেখানে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আবাসিক ভবনের পাশাপাশি বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একটি বোর্ডিং সুবিধাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলেনস্কি জানান, নিহতদের মধ্যে দিমিত্রিভস্কা সম্প্রদায়ের প্রধানও রয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রতিবেদন পেয়েছেন। যারা এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন, তাদের নিজেদের সিদ্ধান্তের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।
জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের জাতীয় পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থার তদন্তকারীরা ঘটনাটি নিয়ে প্রাক্-বিচারিক তদন্ত শুরু করেছেন। সরকারি অবহেলার অভিযোগে একটি ফৌজদারি মামলাও করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আবাসিক ভবন বা অন্য কোনো জনবসতিপূর্ণ এলাকার কাছে গোলাবারুদ সংরক্ষণ করা যাবে না।
এদিকে, নিরাপত্তার স্বার্থে মাইলা এলাকা থেকে ৩৭০ জনেরও বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা এবং উদ্ধার কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য ঘটনাস্থলে একটি সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়েছে।
ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জরুরি পরিষেবার ৩০০ জনেরও বেশি কর্মীসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা সংস্থার সদস্যদের ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে, জুলাই মাসেও কিয়েভের কাছে ভিশনেভে একটি সামরিক গোলাবারুদের গুদামে হামলার ঘটনা ঘটেছিল।


















