Daily Samadhan
Friday , 17 July 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অতিবৃষ্টিতে সবজির দামে আগুন, শসার দাম অনেক বাড়তি !

প্রতিবেদক
admin
July 17, 2026 2:32 pm

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও দেশের কয়েক জায়গায় সৃষ্ট বন্যার কারণে জনজীবনের মতো প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারেও। জলাবদ্ধতা আর সরবরাহ কমায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক সবজির দাম বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর সঙ্গে বেড়েছে ডিম ও মাছের দামও। তবে মুরগির বাজারে রয়েছে কিছুটা স্থিতিশীলতা।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, গত কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকার সবজি সময়মতো রাজধানীতে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে সরবরাহ কমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। কেজিপ্রতি সবজির দামে ৪০-৬০ টাকার বেশি তারতম্য দেখা গেছে।

বর্তমানে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৬০ টাকায়। দুই এক জায়গায় অবশ্য বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকার ওপরেও। এছাড়া শসা ২০০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা এবং কাঁকরোল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় অনেক সবজির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, টানা বৃষ্টিতে অনেক জায়গা থেকে সবজি ঠিকমতো আসছে না। যে পরিমাণ সবজি আসছে, তা চাহিদার তুলনায় কম। তাই পাইকারিতেই দাম বেড়েছে, খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।

আরেক বিক্রেতা মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, রাস্তাঘাটে পানি জমে থাকায় পরিবহনেও সমস্যা হয়েছে। অনেক গাড়ি সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি। সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দামও কমে আসবে।

সবজির বাড়তি দামে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। বাজার করতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহ আগেও যে শসা ১০০ টাকার আশপাশে ছিল, এখন ২০০ টাকা। প্রায় সব সবজির একই অবস্থা। বৃষ্টির অজুহাতে প্রতিবারই দাম বেড়ে যায়, কিন্তু কমতে অনেক সময় লাগে।

গৃহিণী নাসরিন আক্তার বলেন, এখন বাজারে এসে হিসাব করে সবজি কিনতে হয়। আগে চার-পাঁচ রকম সবজি কিনতাম, এখন দুই-তিন রকম নিয়েই ফিরতে হচ্ছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। প্রতিকেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায়, ব্রয়লার ১৮০ টাকা এবং লেয়ার ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায়। মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ ও চাহিদা স্বাভাবিক থাকায় বাজার স্থিতিশীল রয়েছে।

তবে ডিমের বাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। আর প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়ে সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, খামার থেকেই ডিম বেশি দামে আসছে। তাই আমাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে মাছের বাজারেও বেড়েছে দাম। বর্তমানে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা, কাতলা ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাষের পাঙাশ ১৮০ টাকা, চাষের কৈ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে। মাছ বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে মাছ পরিবহন ও সরবরাহে কিছুটা সমস্যা হওয়ায় কয়েকটি প্রজাতির মাছের দাম বেড়েছে।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

ভারতে থাকা অবৈধ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: রণধীর জয়সওয়াল

আ.লীগের কাউকে জামায়াতে যুক্ত করতে কেন্দ্রের অনুমতি লাগবে: আমির

রাড্ডার ঘটনায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে শুধু সাংগঠনিক ব্যবস্থা নয়, আইনি পদক্ষেপ চান জামায়াত আমির

প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন

এক টাকার দুর্নীতিও প্রমাণ করতে পারলে ইস্তফা দেব: সংসদে হাসনাত

রাজারহাটে সংবাদ প্রকাশের পর বিধবা হাসনার বিধবা ভাতা পাওয়ার উদ্যোগ, মীমাংসায় সন্তুষ্ট ভুক্তভোগী

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম, দেওয়া হলো গার্ড অব অনার

সংকটের মধ্যেই পদ্মা সেতু রেলপথে নতুন ট্রেন, ৩ স্টেশনে নিরাপত্তা শঙ্কা

এবার মেট্রোরেল ছুটবে গাবতলী থেকে পুরান ঢাকার বুক চিড়ে নারায়ণগঞ্জ

কুমিল্লার গৌরীপুরে বাস উল্টে ২১শিক্ষার্থী আহত