
জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে (তৃতীয় অধিবেশন) নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ আশা প্রকাশ করেন। সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সভার উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা হয় মন্ত্রীর।
এসময় এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। গতকাল (গত শুক্রবার) ছিল ২৪ জুলাই। সে হিসেবে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় আছে। সুতরাং বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। যেহেতু ১৫ জুলাই (সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন সমাপ্ত) থেকে ৬০ দিনের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশন হওয়ার কথা সাংবিধানিকভাবে। আশা করি, সেই অধিবেশনে এটা নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে।’
অতীত কর্মকাণ্ডের জন্য সদ্যসাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে উল্লেখ করে মামলা বিচার্য হবে কিনা বা মামলার প্রক্রিয়া কী হবে তা জানতে চান এক সাংবাদিক। জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইনে যখন ব্যাখ্যার প্রয়োজন আসবে তখন দেখা যাবে। ইট ইজ টু আর্লি…।’ সংশ্লিষ্ট আরেক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে এখানে প্রটেকশন দেওয়া আছে। আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখব। সময় হলে দেখবে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী বলেন – আমরা ভুল করলে আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবেন। আমরা তা সাদরে গ্রহণ করব। তবে আধিপত্যবাদ, সাম্রাজ্যবাদ কিংবা মৌলবাদকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে পারে — এমন কোনো পদক্ষেপকে আমরা সমর্থন করব না।
সভায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় গঠিত গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বক্তব্য দেন।
উল্লেখ্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অধিকার এই ‘মানবাধিকার বিষয়ক পরামর্শ সভা’র আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট তাসনিম সিদ্দিকী


















