Daily Samadhan
Tuesday , 11 August 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খানাখন্দে অচল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, আমতলীতে তীব্র যানজট

প্রতিবেদক
এ কে পলাশ
August 11, 2026 8:30 pm

সংস্কারকাজ ও সড়কের খানাখন্দের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে যানজট যেন পিছু ছাড়ছে না। এতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রী, চালক ও পরিবহনশ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকে মহাসড়কের আমতলীসহ আলেখারচর থেকে সুয়াগাজী পর্যন্ত বিভিন্ন অংশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজটের কারণে মহাসড়কে চলাচলকারী মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। পণ্যবাহী যানবাহন আটকে থাকায় সময় ও জ্বালানি অপচয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

এর আগে, গত শুক্রবার সকালে একই এলাকায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে বিকেলের দিকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও শনিবার সকাল থেকে আবারও যানজট দেখা দেয়। কয়েক দিনের ব্যবধানে মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের যানজট শুরু হওয়ায় মহাসড়কে চলাচলকারীদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আমতলী এলাকায় মহাসড়কের এক পাশ বন্ধ রেখে অপর পাশ দিয়ে উভয়মুখী যানবাহন চলাচল করছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান সংস্কারকাজের কারণে ওই অংশে এমনিতেই যানবাহনের গতি কম। এর মধ্যে সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে বিকল্প লেনের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও গর্তে পানি জমে থাকায় যানবাহনকে ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে।

হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আমতলীর প্রায় আধা কিলোমিটার অংশে কয়েক মাস ধরে সংস্কারকাজ চলছে। এক পাশ বন্ধ থাকায় অপর পাশের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ভারী যানবাহন চলাচলের সময় গর্তে আটকে পড়ার ঘটনাও ঘটছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে দ্রুত দীর্ঘ যানজট তৈরি হচ্ছে।

গত দুই দিনে ওই এলাকায় একাধিক মালবাহী ট্রাক খানাখন্দে আটকে পড়েছে। এসব যানবাহন সরিয়ে নিতে সময় লাগায় যানজট আরও দীর্ঘ হচ্ছে। বিশেষ করে আমতলী এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়লে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল হয়ে পড়ে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়মিত চলাচলকারী চালকেরা বলেন, সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত না করায় প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হচ্ছে। এতে সময় ও জ্বালানি দুটোই অপচয় হচ্ছে। পণ্যবাহী যানবাহন সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে না পারায় ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
১৬৬ কিমি মহাসড়কের বাঁকে ৭০ ‘মৃত্যুফাঁদ’
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শুধু গর্তে মাটি বা ইট ফেলে সাময়িকভাবে মেরামত করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। বৃষ্টির পানি ও ভারী যানবাহনের চাপে আবারও সড়ক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই দ্রুত টেকসইভাবে সংস্কার করে বিকল্প লেনটি যান চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মমিন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। সড়কের খানাখন্দের কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে। এতে যানজট তৈরি হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে সামনে আরও বড় ধরনের যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অস্থায়ীভাবে সংস্কারকাজ করা হচ্ছে। তবে ভারী বৃষ্টির কারণে কাজ কিছুটা ব্যাহত হয়েছে।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

তারেক রহমানের দিল্লি সফর ও হাসিনার প্রত্যর্পণ

দেশের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী

রাজারহাটে গাছের উন্মুক্ত নিলামে সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকের ওপর হামলা, ইউএনওর সহযোগিতায় রক্ষা

দুই পক্ষের স্বার্থে মিল থাকতে হবে’: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর

নাব্যতা ফিরিয়ে আদি বুড়িগঙ্গাকে সাজানোর উদ্যোগ

১৭ বছরে ব্যাঙের ছাতার মতো হাসপাতাল, এখন সমস্যার কারণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নাসিরনগরে প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা পাঁচ সন্তানের জননীর

বাহুবলে বৃষ্টির মধ্যেই রাস্তায় বসে পড়লেন এনসিপি নেতারা

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই

ডিমলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবির নতুন বিওপি চালু