
“যশোরের শার্শা উপজেলার পাঁচকায়রা বাজারে এক বিধবা চা দোকানিকে দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় চার যুবকের বিরুদ্ধে। ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পরে তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী। এ ঘটনায় তিনি শার্শা থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- কায়বা ইউনিয়নের চালিতাবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল গফফারের ছেলে মাসুদ রানা (৩০), আব্দুস সাত্তারের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৫), কায়বা গ্রামের নূর আলীর ছেলে কামরুল (৪০) এবং মিজানুর রহমানের ছেলে মিলন হোসেন (৩৭)।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারী স্বামীহারা। পাঁচকায়রা বাজারে একটি চায়ের দোকান পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে বিভিন্নভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরে তারা তার কাছে চাঁদা দাবি শুরু করেন।
অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেন, গত ২৬ আগস্ট রাত আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্তরা তার বাড়িতে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দেন। দরজা খুললে তারা তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা কেন দিতে হবে জানতে চাইলে তাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ কথা বলা হয়।
টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখান। এ সময় গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে টাকা না দিলে তার চায়ের দোকান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। এতে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, অভিযুক্তদের একজন মিলন হোসেন ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকেও জোরপূর্বক ২৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।
ভুক্তভোগী নারীর আশঙ্কা, অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির হওয়ায় যেকোনো সময় তার ও পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা ক


















