Daily Samadhan
Wednesday , 16 September 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসিনাকে ফেরত না দিয়ে ষড়যন্ত্র করছে ভারত: রিজভী

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
September 16, 2026 7:21 pm

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের ভারতে আশ্রয় দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারত গভীর ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তার দাবি, আদালতের পরোয়ানা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার বারবার শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের ফেরত চাইলেও ভারত তাতে সাড়া দিচ্ছে না।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল ও প্রজন্ম দলের আয়োজনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশকে বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করলেও শেখ হাসিনাসহ তার সরকারের সঙ্গে জড়িতদের আশ্রয় দিয়ে সেই বন্ধুত্বের প্রমাণ দিচ্ছে না। তার অভিযোগ, শেখ হাসিনার শাসনামলে ছাত্র-জনতা, শ্রমিক ও তরুণ-কিশোরসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ হত্যার শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও ভারতে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেন তিনি।

রিজভী বলেন, অতীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত এক সাবেক মেজরকে ভারত ধরে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে পারলে শেখ হাসিনাকে কেন ফেরত দেওয়া হচ্ছে না—এ প্রশ্নের জবাব ভারতকে দিতে হবে। তার ভাষায়, শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে ভারতের কর্মকাণ্ডের পেছনে ‘গভীর চক্রান্ত’ রয়েছে।

ব্রিকস সম্মেলন ঘিরে বিদ্যুৎ বন্ধের অভিযোগ

ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর আদানি পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটানোর ঘটনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী।

তিনি দাবি করেন, স্বাধীন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে সরকারপ্রধান হিসেবে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ না জানিয়ে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে পার্শ্ববর্তী ভূমিকায় রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তাই তিনি ওই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে দাবি করেন রিজভী।

তার ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে যাবেন না—এ সিদ্ধান্ত জানানোর পরদিনই আদানি পাওয়ার প্ল্যান্টের একটি ইউনিটে ত্রুটির কথা জানানো হয়। এ ঘটনাকে তিনি ভারতের ‘কূটকৌশল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, গত ১৬ বছরে দেশে দুর্নীতি, অর্থপাচার, গুম ও গুপ্তহত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন নদীতে মরদেহ ভেসে ওঠার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।

রিজভীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বর্তমান সরকারের আমলে বিরোধী দলের নেতারা প্রকাশ্যে সরকারের সমালোচনা ও বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তার প্রশ্ন, বিরোধী দলের কোনো নেতা গুম হয়েছেন কি না বা বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন কি না। তার দাবি, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই সরকারের অঙ্গীকার।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সংবাদপত্র এজেন্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন আর নেই

জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন পূর্ণতা পেয়েছে: রিজভী

লাইফ সাপোর্টে থাকা যুবদল নেতা সাজ্জাদুল মিরাজের ছেলের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে এস এ সিদ্দিক সাজু

বোয়ালখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে তরুণী গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু

* যাত্রী অধিকার দিবস আগামীকাল এখনও ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় পরিবহন খাত * থামছেই না যাত্রী হয়রানি নিজস্ব প্রতিবেদক আগামীকাল ১৩ সেপ্টেম্বর (রোববার) ‘যাত্রী অধিকার দিবস’। যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, সড়ক দুর্ঘটনা ও গণপরিবহনে অনিয়মের বিরুদ্ধে দাবি আদায়ের প্রতীকী দিবস হিসেবে প্রতিবছর দেশে ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, দেশে দফায় দফায় বাড়ছে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য। একই সঙ্গে কমছে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীর নিরাপত্তা। সংগঠনটির দাবি, বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন এলেও পরিবহন খাতে তেমন অগ্রগতি হয়নি; এ খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় রয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে অষ্টমবারের মতো দিবসটি পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা জরুরি।’ দিবসটি উপলক্ষে যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘব, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, যাত্রী হয়রানি, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধের মাধ্যমে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি সামনে আনতেই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে দেশে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালন শুরু হয়। ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে দিবসটি পালন করে আসছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, বৈশ্বিক যুদ্ধ ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগে শিথিলতাসহ নানা কারণে দেশে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য দফায় দফায় বাড়ছে। একই সঙ্গে কমেছে মানুষের যাতায়াতের নিরাপত্তা। পথে পথে ছিনতাই, সড়কে ডাকাতি, দুর্ঘটনাসহ নানা আতঙ্কের মধ্য দিয়ে প্রতিদিন মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতাও বন্ধ হচ্ছে না বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও পরিবহন খাতে তেমন পরিবর্তন আসেনি। পরিবহন খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব বাস্তবতায় এবারের ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

পিরোজপুরে মাদক সেবনে বাধা, হামলা-লুটের মামলায় চট্টগ্রাম থেকে ৩ আসামি গ্রেপ্তার

মাতারবাড়ী মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় ২২ ভারতীয় বিয়ার ক্যান উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১