Daily Samadhan
Friday , 26 June 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ১৭ সমঝোতায় স্বাক্ষর

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
June 26, 2026 5:04 pm

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফরের শেষ দিন চীনের তিন ক্ষমতাধর ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তাদের মধ্যে নিজ নিজ দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে৷

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বহুপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ১৭টি সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে৷ একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন চীনকে একক রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায় বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের হোটেল দিওয়াউতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র ও তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন এসব তথ্য তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই অন্যতম উপদেষ্টা বলেন, ১৭ সমঝোতার মধ্যে ১৩টি হয়েছে দুই দেশের মিনিস্ট্রি টু মিনিস্ট্রি, ৩টি হয়েছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিটার সঙ্গে। বাকি একটি সমঝোতা হয়েছে সরকার দল বিএনপি ও চীনের সরকারি দল চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে।

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রত্যেকটি বৈঠকে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মরহুম প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী চীনকে একক রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চায়। একইসঙ্গে বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুতে কোনো আলোচনা হয়নি৷ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি, সুজাউদ্দৌলা সুজন, শাহাদাত হোসেন স্বাধীন ও সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক খান।

এর আগে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সাথে একান্ত বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রপতির সাথে এই একান্ত সাক্ষাৎ হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের মহামান্য রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং একান্ত বৈঠক করেছেন। এটা একেবারে নজিরবিহীন। চীনের মান্যবরের সাথে তারেক রহমান সাক্ষাৎ করেছেন, বৈঠকে হয়েছে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়াদি নিয়ে। সেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ছিলেন। এই বৈঠকের পর আবার আলাদাভাবে একান্ত বৈঠক এটা নজিরবিহীন।

হুমায়ুন কবির বলেন, এই একান্ত বৈঠকের মধ্য দিয়ে আপনারা বুঝতে পারেন আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে কতটুকু গুরুত্ব দেন এবং বাংলাদেশকে কিভাবে চীনের রাষ্ট্রপতি তথা চীনের সরকার দেখে থাকে।

বেইজিং সফরের শেষ দিনে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে গ্রেট হলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং। এই বৈঠক হয় ৫০ মিনিট। এর পরপরই দুই নেতার মধ্যে এই একান্ত বৈঠক হয়।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে

বিশ্বকাপের আগে বড় সুসংবাদ পেলেন ইয়ামাল

ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দিলে সৌদির পারমাণবিক চুক্তি বাতিল: ট্রাম্প

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের নতুন সচিব ও কলেজ পরিদর্শক হলেন ভিক্টোরিয়া কলেজের দুই অধ্যাপক

মহাসড়কে নামছে ৬০ অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স

এমবাপে থেকে দেম্বেলে জেনে নিন ফ্রান্স দলে কার পারিবারিক শিকড় কোন দেশে ?

* যাত্রী অধিকার দিবস আগামীকাল এখনও ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় পরিবহন খাত * থামছেই না যাত্রী হয়রানি নিজস্ব প্রতিবেদক আগামীকাল ১৩ সেপ্টেম্বর (রোববার) ‘যাত্রী অধিকার দিবস’। যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, সড়ক দুর্ঘটনা ও গণপরিবহনে অনিয়মের বিরুদ্ধে দাবি আদায়ের প্রতীকী দিবস হিসেবে প্রতিবছর দেশে ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, দেশে দফায় দফায় বাড়ছে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য। একই সঙ্গে কমছে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীর নিরাপত্তা। সংগঠনটির দাবি, বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন এলেও পরিবহন খাতে তেমন অগ্রগতি হয়নি; এ খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় রয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে অষ্টমবারের মতো দিবসটি পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা জরুরি।’ দিবসটি উপলক্ষে যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘব, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, যাত্রী হয়রানি, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধের মাধ্যমে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি সামনে আনতেই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে দেশে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালন শুরু হয়। ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে দিবসটি পালন করে আসছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, বৈশ্বিক যুদ্ধ ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগে শিথিলতাসহ নানা কারণে দেশে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য দফায় দফায় বাড়ছে। একই সঙ্গে কমেছে মানুষের যাতায়াতের নিরাপত্তা। পথে পথে ছিনতাই, সড়কে ডাকাতি, দুর্ঘটনাসহ নানা আতঙ্কের মধ্য দিয়ে প্রতিদিন মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতাও বন্ধ হচ্ছে না বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও পরিবহন খাতে তেমন পরিবর্তন আসেনি। পরিবহন খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব বাস্তবতায় এবারের ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

ফ্যাসিস্টের বিদায়ের পর মামলা বানিজ্য আমাদের মাঝে অনৈক্য সৃষ্টি করেছে: মনিরুল হক চৌধুরী

আনসারের তৎপরতায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ভুয়া ডাক্তার আটক

কুমিল্লা দাউদকান্দি পুলিশের জালে ৪ মামলার আসামি, ব্যাগে পিস্তল-গুলি