
বিআরটিএ অফিসে আগত গ্রাহকদের হয়রানি দূর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মিরপুর -১৩, বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ কার্যালয়কে দালালমুক্ত করার লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিআরটিএ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান। অভিযানে সহযোগিতা করেন বিআরটিএ’র কর্মরত আনসার কমান্ডার (পিসি) মো. খোরশেদ আলম, এপিসি মো. আল মিজান, আনসার সদস্য মো. মতিয়ার, আনসার স্বপন শর্মা এবং আনসার শ্রী নয়ন চন্দ্র।
আটককৃত ব্যক্তিরা প্রত্যেকেই আদালতের নিকট তাদের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তি প্রদান করায় ৫ জন প্রত্যেককে ২ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩ জনকে মোট ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন বিআরটিএ এর ভ্রমমাণ আদালত। অভিযান চলাকালীন প্রতারক চক্রের অন্য সদস্যরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ১. বাবুল হোসেন (৩৮), তার বাবার নাম মৃত হারুনুর রশিদ। ২.মো. কাওসার আলী(৩০), তার বাবার নাম মো. আব্দুল মোতালিব। ৩.আব্দুল্লাহ আল রাজীব (৪০), তার বাবার নাম মাস্টার সুলতান। ৪.আব্দুল মান্নান (৪৬), তার বাবার নাম মো. শেরজন আলী , ৫.মো. শামীম (৩৪), তার বাবার নাম মৃত নূর মোহাম্মদ।
এ বিষয়ে বিআরটির এক্সিকিউটি ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান বলেন, প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ অফিসে আগত গ্রাহকদের কাছ থেকে দ্রুত কাজ করিয়ে দেওয়ার নাম করে কাগজপত্র টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়। তাই দালাল ও প্রতারকদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এই অভিযানের বিষয়ে বিআরটিএ কর্মরত আনসার কমান্ডার মো. খোরশেদ আলম জানান, আমরা সার্বক্ষণিক দালাল ও প্রতারকদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছি। তাই দালাল ও প্রতারক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে ।


















