
রাজধানীর মিরপুর শাহআলী থানাধীন গুদারাঘাট এইচ ব্লক,১৫ নম্বর রোড যেনো মাদকের স্বর্গরাজ্য দেখার যেনো কেউ নেই। সজীবের অসুস্থতার আড়ালে মাদকদ্রব্য বিক্রি এবং ঘরে আসর বসিয়ে রমরমা মাদক বানিজ্যে চালাছেন সজীব ও ইয়াসমিন।
১০/১৫ জন বিক্রয়কর্মী দিয়ে দিনে ১হাজার থেকে ১২শ পিস ইয়াবা বিক্রি করছে। কেউ বাঁধা দিতে গেলেই বলছে আমি কিডনি রোগী ডায়ালিসিস করতে হয়, টাকার জোগাড় করার জন্য আমি মাদক বিক্রি করছি, অসুস্থ দেখে অনেকেই তেমন কিছু বলে না। এই সুযোগে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন সজীব ইয়াসমিন (জুটি) স্বামী স্ত্রী। স্থানীয়ররা বলছেন অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে যদি সবাই খারাপ কাজে লিপ্ত হয়ে যায়, একসময় সমাজে আর সুস্থ মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না।
শুধু সজীব ও ইয়াসমিন নয় রয়েছে মাদক বিক্রি তালিকায় সজীবের মা পিয়ারা বেগম,স্বামী মৃত আয়নাল হক, সৎভাই রাসেল, ভাতিজা রাতুল সহ আরো অনেকে।
সূত্রে জানা যায়, সজীব মাদকের টাকা একাই খায় না মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মিরপুর শাহআলী থানা এলাকায় নিয়োজিত কর্মকর্তারা তাদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা নেন।
আরো জানা যায়, সোর্স ইউনুস ভবঘুরে, রানা বাসা কাউন্দিয়া, জয় গুদারাঘাট ৯ তলার সামনে থাকেন, আর সোর্স মনির থাকেন রয়েল সিটি বেড়িবাঁধ থানা শাহআলী, এদের মাধ্যমে মাদক কারবারিদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মিরপুরের দায়িত্ব রত কিছু অসাধু কর্মকর্তা,এসকল কর্মকর্তাদের কারণে মাদক নিযন্ত্রণে হিমসিম খাচ্ছে স্থানীয় লোকাল থানা পুলিশ।
মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব রত বাহিনীকে (স্থানীয় ভাষায় আবকারি বলেন)। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সজীব ও ইয়াসমিন দম্পতি যেভাবে যুবসমাজ ধ্বংসের খেলার মেতে উঠেছেন এদেরকে আইনের আওতায় নেয়ার খুবই জরুরি। একাধিক সূত্রে জানা যায়, সজীব ও ইয়াসমিনের ইয়াবার ডিলার (সালু) গুদারাঘাট লালমাঠে বসবাস করেন, এবং লালমাঠ নিয়ন্ত্রণ করেন এই মাদকের ডিলার সালু।
সজীব নিজে কিডনি রোগে আক্রান্ত কিন্তু পুরো সমাজকে মাদকের নেশায় আক্রান্ত করছে, মাদক আনানেওয়া টাকা পয়সা লেনদেন সবই করেন মুলত সজীবের স্ত্রী ইয়াসমিন । মাদক কারবারিদের কারণে সমাজের যুবক-যুবতী স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার নিমজ্জিত হওয়ার পথে ধাপিত হচ্ছে।
স্থানীয় বিএনপির শাহআলী থানার ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবুল কালাম লেলিন দৈনিক নাগরিক বাংলাদেশ বলেন, যুবসমাজকে রক্ষা করতে হলে এসব সজীব ও ইয়াসমিনদের সমাজ থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিতে হবে, তিনি আরো বলেন মাদকের সাথে অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে লাভ নেই আমি পুলিশ প্রশাসনকে বলবো এদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। ওসি শাহআলী থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম দৈনিক নাগরিক বাংলাদেশ বলেন খুব দ্রুতই এদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে মাদকের সাথে জড়িতদের সাথে কোনে আপস নেই অসুস্থ থাকলে চিকিৎসা নিবে, তা-ই বলে মাদক বিক্রি করবে এটা হতে পারে না।


















