
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার ভেঙে পালিয়ে যাওয়া বন্দির মধ্যে এখনও ৬৯০ জন পলাতক রয়েছেন। এর মধ্যে ১৬৬ জনের কোনো ধরনের তথ্যই কারা কর্তৃপক্ষের কাছে নেই। এ ছাড়া কারাগার থেকে পালানো নয় জঙ্গির মধ্যে ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা গেলেও তিনজন পলাতক রয়েছেন৷
গতকাল মঙ্গলবার পুরান ঢাকার বকশিবাজারে কারা অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক (আইজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
পলাতক বন্দি ও জঙ্গিদের মধ্যে এ পর্যন্ত কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- জানতে চাইলে
আইজি প্রিজন বলেন, প্রায় দুই হাজার ২৪৭ জন বন্দি পালিয়ে গিয়েছিলেন। এ মুহূর্তে হিসেব মতে ৬৯০ জন বন্দি এখনো পলাতক রয়েছে। তাদের মধ্যে ১৬৬ জনের পরিচয়সংক্রান্ত কোনো তথ্য আমরা পাইনি। তারা নরসিংদির কারগার থেকে পালিয়েছিল। সেখানে সব নথিপত্র এবং সার্ভার নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাদের বিষয়ে জানতে আদালতের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে। নরসিংদীর ওই কারগার থেকে মোট ৮২৬ জন পালিয়েছিল। এছাড়া কারাগার থেকে মোট নয় জন তালিকাভুক্ত জঙ্গি পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ছয় জনকে আটক করা গেছে। এদের একজন ‘জুয়েল ওস্তাদ’ জামিনে বের হয়েছিল। সম্প্রতি এক অভিযানে পুলিশ আবার তাকে গ্রেপ্তার করেছে। এখনো তিনজন জঙ্গি পলাতক রয়েছে।
সম্প্রতি বোমা বিষ্ফোরণ-উদ্ধারের ঘটনায় পলাতক জঙ্গিদের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর সঙ্গে পলাতক জঙ্গিদের কোনো ধরনের সংযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ কিছুটা চিন্তিত। এ বিষয়ে আমরা জানার চেষ্ট করছি।


















