Daily Samadhan
Wednesday , 2 September 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুবাইয়ের সম্পত্তি আর নিরাপদ ঠিকানা নয়

প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
September 2, 2026 11:50 am

একসময় ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হতো যে, পাকিস্তানে সৃষ্ট কালো টাকা আমেরিকার অন্যতম মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পেয়েছে এবং সেখানকার সম্পত্তির দাম বাড়াতে সাহায্য করেছে। কিন্তু, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও তার উপসাগরীয় মিত্রবাহিনীর যুদ্ধ পাকিস্তান থেকে দুবাইয়ে অবৈধ অর্থ পাচারের প্রবাহ কমিয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে আগে বিনিয়োগ করা অর্থও পাকিস্তানে ফিরে এসে দেশটির আবাসন খাতে বিনিয়োগ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সম্পত্তি ও মুদ্রাবাজারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। অল পাকিস্তান বিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হাসান বখশী বলেন, “পাকিস্তানে প্রতি মাসে প্রায় ৬ কোটি ডলার অবৈধ (বা কালো) টাকা তৈরি হয় এবং তা দুবাইতে বিনিয়োগ করা হতো, কিন্তু এখন তা বন্ধ হয়ে গেছে।”

হাজার হাজার পাকিস্তানি দুবাইয়ে, বিশেষ কওে সেখানকার সম্পত্তি খাতে, শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছিলেন। দুবার পাকিস্তানকে দুবাইয়ের সম্পত্তি খাতে দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগকারী হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে, সম্প্রতি মুদ্রা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন উল্টো দিকে মোড় নিয়েছে। চলমান যুদ্ধের মধ্যে দুবাইয়ে আটকে থাকা অবৈধ অর্থ উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এক মুদ্রা ব্যবসায়ী বলেন, “দুবাই থেকে বেশি রেমিট্যান্স আসার অর্থ হলো, পাকিস্তানিরা তাদের তরল সম্পদ পাকিস্তানে ফেরত পাঠাচ্ছেন।”

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

যুদ্ধটি বিনিয়োগ ও পর্যটন গন্তব্য হিসেবে দুবাইয়ের আকর্ষণ হ্রাস করেছে, অন্যদিকে দুবাই থেকে পাকিস্তানে অর্থপ্রবাহ বেড়েছে। পাকিস্তানে নতুন করে তৈরি হওয়া অবৈধ অর্থ আবারও সম্পত্তি ব্যবসায় প্রবাহিত হচ্ছে। বখশি বলেন, “উপসাগরীয় যুদ্ধ শুরুর পর ডিফেন্সে সম্পত্তির দাম ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ বেড়েছে। ডিফেন্সের সম্পত্তির মালিকানা নিরাপদ হওয়ায়, অর্থাৎ একই সম্পত্তির একাধিক দলিল বা জাল লেনদেনের ঝুঁকি না থাকায়, বেশিরভাগ অর্থ ওই এলাকায় যাচ্ছে।”
শুধু যে কালো টাকা দুবাইতে যাচ্ছিল তাই নয়, যুদ্ধের আগেও অনেক প্রযুক্তি সংস্থা সেখানকার বাধাহীন ব্যবসায়িক পরিবেশের কারণে সেখানে স্থানান্তরিত হয়েছিল। ঘন ঘন ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা এবং কর কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের কারণেও তারা বিদেশে চলে যাচ্ছিল। হাজার হাজার পাকিস্তানি দুবাইকে তৃতীয় একটি দেশ হিসেবে ব্যবহার করে ভারত ও বাংলাদেশের মতো দেশের সঙ্গে বৈধ ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। এখন তারা সেখানে আটকে পড়েছেন এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় দুবাইয়ে করা বিনিয়োগ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন।

মুদ্রা ব্যবসায়ীরা বলেছেন, পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক হলেও উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে শত শত কোটি ডলার পাকিস্তানে ফিরে আসবে, কারণ দুবাই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা হারিয়েছে। সম্পত্তি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, যুদ্ধের পর পাকিস্তানে সম্পত্তির দাম বাড়তে শুরু করেছে এবং লেনদেনও বেড়েছে। তারল্য পরিস্থিতির উন্নতির কারণে ক্রয় ও বিক্রি উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্পত্তি ব্যবসায়ী করিম দাদ বলেন, “সরকারও নির্মাণ শিল্পকে চাঙা করতে বিভিন্ন পদক্ষেপও নিচ্ছে এবং এবং এই প্রচেষ্টার ফলেই সম্পত্তির দামের এই পুনরুদ্ধার ঘটেছে। করাচির অন্যান্য এলাকায় সম্পত্তির দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।”

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

‎ঢাকার ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে মধুমিতায় চলচ্চিত্র উৎসব

কুমিল্লা সীমান্তে ৩৯ লাখ টাকার মুল্যেী ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার

দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’: চিফ প্রসিকিউটর

নাব্যতা ফিরিয়ে আদি বুড়িগঙ্গাকে সাজানোর উদ্যোগ

ব্রাহ্মণপাড়ায় একদিনে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার-৯

ইরানে বাঘের গালিবাফের সঙ্গে স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সাক্ষাৎ

দক্ষিণ রাউজানে কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী মা মগদ্ধেশ্বরী ও গঙ্গা মন্দিরে দিনব্যাপী শ্রীশ্রী মা গঙ্গা পূজা

দীর্ঘ আট বছর পর ঢামেক ছাত্রদলের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি রায়হান আহ্বায়ক ও মিশকাত সদস্য সচিব

আবারও বায়ুদূষণের শীর্ষে ঢাকা

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ যাত্রী আটক