
ঢামেক হাসপাতালে সরকারি ওষুধ পাচার ও বদলি-বাণিজ্যের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে ফার্মাসিস্ট মো. ইসমাইল হোসেন সাংবাদিকদের ‘দেখে নেওয়া’ ও সম্পাদক-প্রকাশককে খুঁজে বের করার হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি মানহানির মামলা করার হুমকি দিয়েছেন। দুর্নীতির অভিযোগের জবাব না দিয়ে মামলা ও হুমকির ভয় দেখানো গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
উল্লেখ্য, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে রোগীদের জন্য সরকার থেকে সরবরাহ ওষুধসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র বাইরে পাচার করে দিচ্ছে এই সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা হলো হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তারা আবার বাইরে লোকজনের মাধ্যমে অবৈধভাবে সবকিছু বিক্রি করছে। এই সিন্ডিকেটের গডফাদাররা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে যায়। কিন্তু মাঝে মাঝে ধরা পড়ে চুনুপটুরা। যারা ধরা পড়ে তাদের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কতৃপক্ষ তদন্ত কমিটি করে কিন্তু তদন্তের আলোরমূখ আর দেখে না ! এই ভাবে চলছে সিন্ডিকেটদের বাণিজ্য। হাসপাতালের কতৃপক্ষ তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের আস্থাভাজন হিসেবে বিভিন্ন ধরনের বদলি বাণিজ্য ও ওষুধ পাচার করে আসছে ঢাকা মেডিকেলে টু মেডিসিন স্টোরে ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল শাখা ইনচার্জ সিন্ডিকেটের মূলহোতা ফার্মাসিস্ট ইসমাইল হোসেন ।
প্রায় ১৩ বছর যাবত ঢাকা মেডিকেলে ফার্মাসিস্ট হিসেবে আওয়ামীলীগের মন্ত্রী , এমপি ও স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় চাকরি করে আসছেন । চাকরি সুবাদে গোপনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম কে চাঙ্গা করার জন্য ফ্যাসিষ্ট ইসমাইল হোসেন অর্থ যোগানদাতা হিসেবে কাজ করে আসছেন বলে একাধিক অভিযোগে জানা গেছে। এমনকি তার সাথেও হাসপাতালের তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী কল্যাণ সমিতির অনেক নেতাই জড়িত রয়েছেন বলে সাধারণ কর্মকর্তা -কর্মচারীদের অভিযোগে জানা যায়। অভিযোগে আরো জানা যায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্যাথলজি বিভাগ থেকে জয়দেব নামের এক ব্যক্তিকে বদলি করে ঢামেক হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে এনে দিবে । এই বলে তার কাছ থেকে ইসমাইল হোসেন সহ সমিতির কয়েকজন নেতা মিলে ২ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর জয়দেব কে বদলি করে আনতে পারেননি। এরপর জয়দেব তাদের কাছে টাকা ফিরত চাইতে গেলে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে থাকে বলে জানা গেছে। এভাবেই ওই সিন্ডিকেটের মূলহোতা ফার্মাসিস্ট ইসমাইল হোসেনসহ তার তার সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যরা একের পর এক দুর্নীতি ও অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট ও দোসর ফার্মাসিস্ট ইসমাইল হোসেনসহ অনেক নেতাই এখনো হাসপাতলে চাকরি করছেন । তাদের বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার ব্যবস্থা নিতে পারছেন না কেন সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ।
এই সিন্ডিকেটের মূলহোত মো.ইসমাইল হোসেনসহ অন্য সদস্যরা দুর্নীতি – অপকর্মের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে গেছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়। ঢামেক হাসপাতাল থেকে সরকারি ইনজেকশন বাইরে বিক্রির কালে মো .ইসমাইল হোসেন নামের এক ফার্মাসিস্টকে আটক করেছে র্যাব-৩, সদস্যরা। এছাড়াও ওয়ার্ড বয় আব্দুল হাকিম সহ আরো অনেকেই ওষুধ বিক্রির কালে আটক হয়েছে। ২৭ জুন দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বহির্বিভাগের মেডিসিন স্টোরের সামনে থেকে ইসমাইল হোসেনকে আটক করা হয়।র্যাব-৩ সদস্যরা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢামেক হাসপাতালে বহির্বিভাগের মেডিসিন স্টোরের সামনে থেকে সুকৌশলে ওষুধ নিয়ে বাইরে বিক্রি উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় র্যাব ইসমাইল হোসেনকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে সরকারি বিক্রয় নিষিদ্ধ ১৯৫ পিস ইনজেকশন (নেলবান) পাওয়া যায়। পরে তাকে পরিচালকের রুমে নিয়ে আসা হয়। পরিচালক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য র্যাবের হেফাজতের দিয়ে দেন। পরে তাকে হেফাজতে নেয় র্যাব। এ ঘটনায় বহির্বিভাগের ওয়ার্ড মাস্টার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন শাহবাগ থানায়।
র্যাব আরও জানান, আটক ইসমাইল হোসেন ঢামেক হাসপাতালে তৃতীয় শ্রেণি সরকারি কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পদে রয়েছেন। তার বাবার নাম আ. কুদ্দুস মোল্লা। গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার চৌখালী এলাকায়। এর আগেও সরকারি ঔষধ ও সুতাসহ ওয়ার্ড বয় আব্দুল হাকিমকে আটক করেছিল র্যাব।সরকারি ইনজেকশনসহ র্যাবের হাতে আটক ইসমাইল হোসেন বলেন, আমি এই ইনজেকশন বাইরে নিয়ে ১৪ টাকা দামে বিক্রয় করি। এটা যে কোনো ফার্মেসি থেকে কিনতে গেলে ৯০ টাকা করে লাগে।এ ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মেডিসিন স্টোরের আরো অনেকেই জড়িত রয়েছে। বেশী ভাগ বাইরের লোকজন দিয়ে মালামাল বিক্রি করে। কিন্তু তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে।
এ ছাড়া আরও অনেকেই এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। হাসপাতালে নার্স ও কর্মচারীদের মাধ্যমে সুকৌশলে মেডিসিন স্টোর থেকে রোগীদের বরাদ্দকৃত দামি দামি ঔষধগুলো হাসপাতালের বাইরে পাচার করে দিচ্ছে এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা। ইসমাইল ও হাকিমের অভিযোগে জানা গেছে, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক অর্থ বিভাগ ও সহকারী পরিচালক প্রশাসন ও উপ- পরিচালক এবং মেডিসিন স্টোরের কর্মকর্তা (এসএলপিপি) তাদেরকে ম্যানেজ করেই সিন্ডিকেটের সদস্যরা অবৈধভাবে ওষুধ পাচারের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন । এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে অর্থের বিনিময়ে ছাড়া পেয়ে যান।
আটককৃতরা আরও জানান, সরকারি ওষুধ ঢাকা মেডিকেলে পর্যাপ্ত আছে কিন্তু পর্যাপ্ত থাকার কারণে ওষুধ পাচারকারী সিন্ডিকেটের সদস্যরা বিভিন্নভাবে ওষুধ পাচার করার সুযোগ পেয়েছেন । নতুন ভবন নিচ তলায় দ্বিতীয় মেডিসিন স্টোর করা হয়েছে সেই স্টোর থেকে নতুন ভবনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওষুধপত্র সাপ্লাই করেন । দুই স্টোরের দায়িত্ববানদের যোগাযোগের মাধ্যমে অবৈধভাবে ওষুধ গুলো পাচার করে দিচ্ছে সিন্ডিকেটের মূলহোতা মো. ইসমাইল হোসেন সহ অন্যান্য সদস্যরা। অভিযোগকারীরা আরো বলেন, কর্মকর্তারা প্রতিটি ওয়ার্ডের এবং বহির্বিভাগ ও ইমার্জেন্সি কর্মরত নার্স ইনচার্জদের মাধ্যমে ইন্ডেনখাতার ভিতরে রোগীর সংখ্যা লেখা অনুযায়ী মেডিসিন স্টোর থেকে সাপ্লাই করেন ওষুধপত্র । ইন্ডেন খাতার মধ্যে যেই ওয়ার্ডে রোগী আছে ২৫টা তারা দেখা ৪৫ টা , আবার অনেক ওয়ার্ডে রোগী আছে ৪০টা সেই ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা লেখে ৬৫টা। এভাবেই মেডিসিন স্টোরের সিন্ডিকেটেরা খাতার মাধ্যমে এবং খাতা ছাড়াও স্লিপের মাধ্যমেই ওষুধপত্র পাচার করে থাকেন। যে হাসপাতালে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী আসেন সেবা নিতে চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা পত্রের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পত্র লেখেন। সেই সুযোগে সিন্ডিকেটের সদস্যরা তাদের কাম পাকিয়ে নেন।
এই বিষয় গুলোর ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. এ , কে,এম ফরহাদ হোসেন বলেন, এটি একটি অপ্রীতিকর ঘটনা। আমাদের কর্মচারীরা যারা জড়িত আছে তাদের আমরা বারবার সতর্ক করে দিয়েছি। অনেকেই সচেতন হয় এরপরেও অনেকেই আছে তারা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নেয় নাই।তিনি বলেন, র্যাব তাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি ওষুধ অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সময় ইসমাইল হোসেন নামে এক ফার্মাসিস্টকে আটক করে। আমার বিশ্বাস ওই সিন্ডিকেটের সবাই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। যারা এই ঘটনার পরে সতর্ক হবেন না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা নেওয়া হবে। ।তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের সকলের প্রতি আপনাদের মাধ্যমে আমার মেসেজ থাকবে, কেউ যেন এইসব কর্মকান্ডের সাথে জড়িত না থাকেন।আপনাদের কাছে তথ্য থাকলে আমাদের জানাবেন আমরা এগুলো বন্ধ করতে চাই। আশা করি, আপনাদের সহযোগিতা পেলে এই অপকর্মগুলো আমরা বন্ধ করতে পারব। অনেক ওষুধ আছে যেগুলো সহজে পাওয়া যায় না । আমরা বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানিকে অনুরোধ করে জনগণের কথা চিন্তা করে এসব ওষুধ সংগ্রহ করি। একটি চক্র এ সব ওষুধ বাইরে বিক্রি করে দেয়। এর আগেও আব্দুল হাকিম নামে সরকারি একজন স্টাফকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওষুধ ও সুতাসহ গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। সে জামিনে বের হয়ে এসে আবার একই কাজ শুরু করে দিয়েছে। এ সব সিন্ডিকেটরা বছরে পর বছর ধরে রোগীদের জীবন বাচাঁর ওষুধসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র বাইরে বিক্রি করে আসছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয় আব্দুল হাকিম বলেন, আমি ঔষধ ও সুতাসহ ধরা পরি।
কিন্তু এসব ঔষধ সুতা গুলো আমাকে বিক্রির জন্য আই, সি,টির ইনর্চাজ অফিস সহকারী মনোয়ার হোসেন দেন। তার বিনিময়ে তিনি আমাকে কিছু টাকা দেন। এই মনোয়ার আমাকে, কর্মচারী আলামিন ও মুরাদকে দিয়ে সুতা, গ্লাপর্স ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি বাইরে বিক্রির জন্য পাঠাতো। এক বার কর্মচারী মনোয়ার মিনি ট্রাক ভর্তি হাসপাতালের বরাদ্দকৃত গ্লাপর্স বাইরে বিক্রির সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে। পরে হাসপাতাল কতৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কিছু দিন তাকে ওইখানে কর্মরত থেকে সরিয়ে নেয়। পরে তাদের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে তদন্ত ধামাচাপা পড়ে যায়। পরে তাকে আবার ইনর্চাজ হিসেবে পূর্ণবহাল করে। মনোয়ার আইসিটির ইনর্চাজ হয়ে আসার পর থেকে আবার পুরোদমে তার বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। তার জন্য ডেলিবেসিক কর্মচারী মুরাদের চাকরী চলে যায়। হাকিম বলেন, ঠিকাদারের মাধ্যমে মালামাল ক্রয় করে। আবার তাদেরকে ম্যানেজ করে এই বেচা–কিনা করে থাকে। এই মনোয়ার একই জায়গায় দীর্ঘ ১২ থেকে ১৫ বছর যাবত রয়েছিল।
তার নামে এত অভিযোগ থাকার পরেও কি কারনে হাসপাতাল কতৃপক্ষ তাকে আইসিটি বিভাগ থেকে সরাচ্ছে না এর রহস্য কি? মেডিসিন ম্যানষ্টোরের সিন্ডিকেটের সদস্যরা হাসপাতাল থেকে লাখ লাখ টাকার সরকারি ওষুধসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র বাইরে পাচার করে দিচ্ছি কতৃপক্ষ দেখেও না দেখার ভান করছেন । তাদের বিরুদ্ধে জোরালো ভাবে প্রতিরোধ না করা গেলে হাসপাতালে আগত রোগীরা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বর্তমানে মেডিসিন স্টোরের ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল বিভাগের ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেন সহ আরো অনেকেই রয়েছেন তারা সরকারি সম্পদ বাইরে বিক্রি করে দিয়ে অবৈধভাবে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তারা তাদের নিজ নিজ গ্রাম এলাকায় নামে -বেনামে অঢেল সম্পদ গড়েছেন। এছাড়াও ঢাকা শহরে ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন বলে অভিযোগে জানা গেছে। সিন্ডিকেটের মূলহোতা ইসমাইল হোসেন সহ সমিতির অন্যান্য নেতারা মিলে তাদের সমিতির অফিসে সন্ধ্যার পর বসে অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ইসমাইল হোসেন সরকারি চাকরি করা মাধ্যমে ওষুধ চুরির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেল খাটার পরও তাকে আবার মেডিকেল টু এর মেডিসিন স্টোরের কিভাবে আবার ইনচার্জ করা হলো এটাই সবার প্রশ্ন ।
এই অভিযোগের বিষয়ের ব্যাপারে মেডিসিন স্টোরের ইনচার্জ মো. ইসমাইল হোসেন সঙ্গে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যদি অভিযোগ পেয়ে থাকেন মোবাইলে এত কথা না বলে আপনার চায়ের দাওয়াত রইলো সাক্ষাতে সবকিছু সমাধান হবে এই বলে মোবাইল ফোনের লাইন কেটে দেন । এদিকে সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা ফোন রিসিভ না করার কারণে তাদের মন্তব্যটা নেওয়া সম্ভব হয়নি ।অ ভিযোগকারীদের বক্তব্য হল এইসব সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।


















