Daily Samadhan
Saturday , 27 June 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই বছর পর চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা, আবেদন করবেন যেভাবে

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
June 27, 2026 5:45 pm

প্রায় দুই বছর পর ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য। আগামীকাল রবিবার (২৮ জুন) ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন গ্রহণ করবে ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার আইভ্যাক। গত বৃহস্পতিবার দায়িত্ব নিয়েই ভিসা চালুর ঘোষণা দেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। এছাড়া মানবিক বিবেচনায় মেডিকেল ভিসার গতিও বাড়ানোর কথা তিনি জানিয়েছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর নিরাপত্তা ইস্যুতে বন্ধ হয়ে যায় ভারতের সব ধরনের ভিসা ইস্যু। অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ৪ আগস্ট থেকে বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় পাসপোর্ট ফেরত ও জমা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল। তবে, আগস্টের শেষের দিকে বিশেষ ব্যবস্থায় সীমিত আকারে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া শুরু হয় এবং নতুন আবেদন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি ভারতের ভিসা আবেদনে বেশকিছু নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। আবেদনের একদিন আগেই নিতে হয় অ্যাপয়েন্টমেন্ট। দেশের পাঁচটি ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে পর্যটন ভিসার আবেদন করা যাবে। এগুলো হলো, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা।

ভিসা আবেদন করবেন কীভাবে

ইন্ডিয়ার জন্য ভিসা আবেদন করতে হবে https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/Registration এই ঠিকানায়। এখানে আপনি আবেদন ফর্ম পূরণ, করতে পারবেন। সব ঘর সঠিকভাবে পূরণ করার পর ভিসা আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। এরপর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে।

কীভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন

যেদিন আপনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেবেন তার আগের দিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে। পরবর্তী কার্যদিবসের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট পূর্ববর্তী কার্যদিবসে প্রকাশ করা হয়। দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সাইন-আপ এবং ওয়েবফাইল আপলোড করা যাবে। শুধু যেসব আবেদনকারী সফলভাবে তাদের ওয়েবফাইল আপলোড করেছেন, তাদের জন্য একই দিন বিকাল ৫টা থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং শুরু হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিংয়ের জন্য https://appointment.ivacbd.com/ সাইনআপ বাটনে ক্লিক করে ভিসার ওয়েব ফাইলে থাকা ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়ে সাইনআপ করতে বলা হয়েছে। সাইনআপ করার একটি ওটিপি এসএমএসে যাবে এবং আরেকটি যাবে ইমেইলে। প্রথমে ইমেইলের ওটিপি এবং পরবর্তী সময়ে মোবাইল এসএমএসের ওটিপি সাবমিট করার মাধ্যমে ইমেইল এবং মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন করতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে সাইনআপ করতে হবে। বিকাল সাড়ে ৪টার আগে সাইনআপ না করলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা যাবে না।

সাইনআপ শেষ হলে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর মোবাইলে ওটিপি পাঠানো হবে। ওটিপি দিয়ে প্রবেশ করলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাতা চলে আসবে। সেখানে প্রথমে ডকুমেন্টগুলো আপলোড করতে হবে। ডকুমেন্টগুলো থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সিস্টেমে যুক্ত হবে। আপলোড করার পর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বিকাল ৫টায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট চালু হলে পুনরায় লগইন করতে হবে। লগইন করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী দিনের জন্য নির্বাচিত একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট দেখাবে। সেটি পরিবর্তন করতে চাইলে একবার বদলানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক হওয়ার পর ভিসা প্রসেসিং ফি পেমেন্ট করতে হবে। আপলোড করা ওয়েবফাইল অবশ্যই মূল ভিসা আবেদনপত্রের পিডিএফ হতে হবে এবং ৩০ দিনের বেশি পুরোনো হওয়া চলবে না। পরিবর্তিত, সম্পাদিত বা বিকৃত ফাইল বাতিল করা হবে।

ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে

১. ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সময় ছয় মাস মেয়াদসহ মূল পাসপোর্ট কমপক্ষে দুই খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে। পাসপোর্টের কপি (প্রথম ৪ পাতা এবং মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন যদি থাকে) সঙ্গে দিতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।

২. পূর্ণ মুখমণ্ডল দেখা যায় এমন সাম্প্রতিক তোলা (৩ মাসের অধিক পুরোনো নয়) পাসপোর্ট সাইজ (২x২) রঙিন ছবি।

৩. জন্ম তারিখের প্রমাণ: জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।

৪. আবাসন প্রমাণ: ইউটিলিটি বিল যেমন ইলেকট্রিসিটি, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিল (ছয় মাসের অধিক পুরোনো নয়)।

৫. পেশার প্রমাণ: যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন সেখানকার নিয়োগকর্তার চিঠি। ছাত্রদের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র সংগ্রহজনক করতে হবে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স লাগবে।

৬. আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ: প্রতিটি আবেদনপত্রের সঙ্গে ১৫০ ডলার সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা এনডোর্স বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের কপি বা পর্যাপ্ত ব্যালান্স দেখানোর প্রয়োজনে হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট।

৭. রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ অনলাইন ভিসা আবেদনপত্র।

৮. অনলাইন ভিসা আবেদনপত্রের প্রদত্ত জায়গায় আবেদনকারীর ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।

৯. ভিসা আবেদনপত্রের সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে, এসব ছাড়া ভিসা আবেদন অসম্পূর্ণ বলে গণ্য হবে।

ভিসা ফি ভারত নেয় না। তবে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ একটি চার্জ আছে। সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়াকরনের জন্য আইভ্যাক ১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। এটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করার সময় অনলাইনে পেমেন্ট করতে হয়।

পাসপোর্ট কীভাবে ফেরত পাবেন

আপনার ভিসা প্রক্রিয়াকরণ হয়ে গেলে আবেদনের সঙ্গে দেওয়া মোবাইল নম্বরে একটি এসএমএস দিয়ে জানানো হবে। সেই অনুযায়ী আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

পূর্বআবুরখীল তালুকদারপাড়ায় সার্বজনীন শ্মশান ও পল্লী উন্নয়ন পরিষদ গঠিত

মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাউজানে পূর্ণিমনী উপলক্ষে আলোচনা সভা, গীতাবিতরণ ও সনাতনী ব্যান্ড সংগীতানুষ্ঠান

মেয়ে হয়ে কেন ছেলেদের কোচ হতে পারবো না

বীরগঞ্জে এডিপির আওতায় বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন ও হুইলচেয়ার বিতরণ

নবীজির আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

আরাকান আর্মির হাতে আটক বাংলাদেশি ২৪ জেলেকে ফেরত আনল বিজিবি

সারাদেশে আজ সোনার দোকান বন্ধ

মাটি সরানো পরিকল্পিত, পদ্মা সেতুর নিরাপত্তায় কোনো ঝুঁকি নেই: মন্ত্রী

সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে নবগঠিত (আংশিক) কমিটি ঘোষণা