Daily Samadhan
Saturday , 13 June 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
June 13, 2026 7:10 pm

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য। আমরা কৃষক ভাইদের পাশের দাঁড়ানোর জন্য খালখনন কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি দেব কৃষক কার্ডের মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজারে পাতালী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের রাজনীতি হচ্ছে এই বাংলাদেশের মানুষের জন্য। আমরা জানি গ্রামে-গঞ্জে মিলিয়ে বাংলাদেশে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে নারী, এই নারীদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বিনা মূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন।

এই নারীরা যদি স্বাবলম্ভী না হয়, তাহলে পুরুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে না এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে না। সে জন্য এই নরীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বর্তমান সরকার ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, যারা ভালো করবে তাদেরকে আমরা উপবৃত্তিও দেব, সে ব্যবস্থাও আমরা রেখেছি।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন।

পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে মাসুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান।

এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত কক্সবাজারের শহিদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। পাশাপাশি পেকুয়া পৌরসভা ও নতুন মাতামুহুরী উপজেলার অবকাঠামোগত কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

রাজনৈতিকভাবে সফরের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজন হতে যাচ্ছে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠের জনসভা। বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে এ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দিনের শেষ ভাগে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করবেন তিনি। পরে একটি সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে রাতেই বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপত্তা, জনসভা আয়োজন এবং সরকারি কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আগেই কক্সবাজারে পৌঁছে সফর-সংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বয় করছেন।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

নিবন্ধন নিতে হবে খাবারের ছোট দোকানকেও, যেভাবে হবে কার্যকর

নাসিরনগরে জনবল সংকটে প্রাণীসম্পদ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

নিউমার্কেটের এলিফ্যান্ট রোডের একটি বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল এক গৃহকর্মী

রংপুরে ৪ খুন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে নতুন কমিশনার, বললেন গাফিলতির কোনো সুযোগ নেই

ঢামেক জরুরি বিভাগ থেকে ভুয়া চিকিৎসক আটক, পুলিশে হস্তান্তর

সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

প্রবাসীদের জন্য বিশেষ অ্যাকাউন্ট সুবিধা চালু করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

যন্তর মন্তরে গেট টপকে বিক্ষোভ, ফের আটক সিজেপির নেতাকর্মীরা

পল্লবীতে ১৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

* যাত্রী অধিকার দিবস আগামীকাল এখনও ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় পরিবহন খাত * থামছেই না যাত্রী হয়রানি নিজস্ব প্রতিবেদক আগামীকাল ১৩ সেপ্টেম্বর (রোববার) ‘যাত্রী অধিকার দিবস’। যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, সড়ক দুর্ঘটনা ও গণপরিবহনে অনিয়মের বিরুদ্ধে দাবি আদায়ের প্রতীকী দিবস হিসেবে প্রতিবছর দেশে ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, দেশে দফায় দফায় বাড়ছে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য। একই সঙ্গে কমছে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীর নিরাপত্তা। সংগঠনটির দাবি, বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন এলেও পরিবহন খাতে তেমন অগ্রগতি হয়নি; এ খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় রয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে অষ্টমবারের মতো দিবসটি পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা জরুরি।’ দিবসটি উপলক্ষে যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘব, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, যাত্রী হয়রানি, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধের মাধ্যমে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি সামনে আনতেই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে দেশে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালন শুরু হয়। ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে দিবসটি পালন করে আসছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, বৈশ্বিক যুদ্ধ ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগে শিথিলতাসহ নানা কারণে দেশে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য দফায় দফায় বাড়ছে। একই সঙ্গে কমেছে মানুষের যাতায়াতের নিরাপত্তা। পথে পথে ছিনতাই, সড়কে ডাকাতি, দুর্ঘটনাসহ নানা আতঙ্কের মধ্য দিয়ে প্রতিদিন মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতাও বন্ধ হচ্ছে না বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও পরিবহন খাতে তেমন পরিবর্তন আসেনি। পরিবহন খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব বাস্তবতায় এবারের ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।