
চলতি বছরের আলোচিত ঘটনাটি ১৯ মে থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত রামিসা হত্যাকাণ্ডের ৫৫ দিন অতিবাহিত হয়েছে। আদালতের রায়ের মাধ্যমে বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হলেও, এখনো শেষ হয়নি রায় কার্যকরের অপেক্ষা।
জনগণের এখন বড় প্রশ্ন, অতীতের অনেক আলোচিত মামলার মতো এই মামলাটিও কি দীর্ঘসূত্রতার বেড়াজালে আটকে যাবে ? নাকি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন হবে?
রামিসার পরিবার ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, আইন অনুযায়ী সব প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে রায় কার্যকরের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ নেবে। কারণ একটি বিচার শুধু একটি পরিবারের ন্যায়বিচারের বিষয় নয়, এটি পুরো সমাজের আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থার প্রতীক।
দেশে আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন সাজা ঘোষিত হয়ে যেসব মামলা এখনো আইনগত প্রক্রিয়ায় অপেক্ষমাণ রয়েছে, সেগুলোরও যথাযথ ও দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা জরুরি দরকার।
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক, অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই আইনের ঊর্ধ্বে না থাকে এবং কোনো পরিবারকে যেন বছরের পর বছর বিচারের আশায় অপেক্ষা করতে না হয়, এটাই আজ মানুষের প্রত্যাশা। পল্লবী কালশি এলাকায় বসবাসকারী আব্দুর রহমান বিশ্বাস ৭৫ বছরের বয়সে এক বৃদ্ধ মনের দুঃখে আক্ষেপ করে বলেন, আমি কি রামিসার হত্যাকারীদের মৃত্যুদণ্ড কি দেখে যেতে পাবো ? এত অপেক্ষা কেন ।


















