Daily Samadhan
Tuesday , 28 July 2026 | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের সঙ্গে চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের, ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুমকি

প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
July 28, 2026 12:06 pm

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে এবং সমঝোতার ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক অভিযান শুরু করবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, স্থানীয় সময় সোমবার (২৭ জুলাই) সাংবাদিকদের আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘তারা বৈঠক করতে চায় এবং আমরা বৈঠক করছি। দেখা যাক কী হয়। চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে’। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যা করেছি, তা না হলে তারা আমাদের সঙ্গে আলোচনাতেই বসত না।’

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনই ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছি। আলোচনা ভালোই চলছে। তাই দেখা যাক কী হয়। ভালো কিছু হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে’। তিনি আরও বলেন, ‘যদি তা না হয়, তাহলে দুই দিন আগে আমরা যা করছিলাম, আবার সেটাই শুরু করব।’

তবে এ বিষয়ে তিনি আর বিস্তারিত কিছু বলেননি। ট্রাম্পের দাবি, ‘আমরা যদি দুর্বল অবস্থায় থাকতাম, তাহলে তারা কখনও বৈঠকের অনুরোধ করত না। তারা এখন বৈঠক চাইছে শুধু এ কারণে যে আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত হেনেছি।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দাবি—রাশিয়া ইরানকে স্যাটেলাইট গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে বিষয়টি জানতে চাইবেন।

তিনি বলেন, ‘খুব শিগগিরই আমরা বিষয়টি জানতে পারব। আমি পুতিনকে জিজ্ঞেস করব। তখনই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।’

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ইরান ইস্যুতে তার অবস্থান একই কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তারা ‘অনেকটাই একমত’, তবে ‘সামান্য কিছু মতপার্থক্য’ রয়েছে।

এদিকে আনাদোলুকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) হোয়াইট হাউসে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করবেন ট্রাম্প। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, বৈঠকে ইরান সংঘাত, লেবাননে ত্রিপক্ষীয় কাঠামো বাস্তবায়নের অগ্রগতি এবং আব্রাহাম চুক্তি আরও সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

এ ছাড়া ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করবেন। ওই কর্মকর্তা জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি প্রক্রিয়ার চলমান অগ্রগতি নিয়ে সেখানে আলোচনা হবে। তিনি বলেন, ‘এখনই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর সময়।’

সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিভিন্ন স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলা চালায়। এর জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। টানা দুই সপ্তাহের হামলা-পাল্টা হামলার পর গত তিন দিন ধরে সংঘাত বন্ধ রয়েছে।

সর্বশেষ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপনার জন্য নির্বাচিত

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

নির্ধারিত এলাকার বাইরে হকাররা বসতে পারবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর সঙ্গে লেক ভ্রমণে ডা. জুবাইদা

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে আরও পতন

‎নাসিরনগরে হাত-পা বাঁধা যুবকের ম/র/দেহ উদ্ধার আতঙ্কিত এলাকাবাসী

অতি আগাম ফুলকপি ‘শ্রাবন্তী’র রেজাল্ট বিশ্লেষণ

ভারতের ভূখণ্ডে ঢুকেছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিশাল এলাকা!

* যাত্রী অধিকার দিবস আগামীকাল এখনও ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় পরিবহন খাত * থামছেই না যাত্রী হয়রানি নিজস্ব প্রতিবেদক আগামীকাল ১৩ সেপ্টেম্বর (রোববার) ‘যাত্রী অধিকার দিবস’। যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা, সড়ক দুর্ঘটনা ও গণপরিবহনে অনিয়মের বিরুদ্ধে দাবি আদায়ের প্রতীকী দিবস হিসেবে প্রতিবছর দেশে ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলেছে, দেশে দফায় দফায় বাড়ছে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য। একই সঙ্গে কমছে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীর নিরাপত্তা। সংগঠনটির দাবি, বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন এলেও পরিবহন খাতে তেমন অগ্রগতি হয়নি; এ খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ কব্জায় রয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে অষ্টমবারের মতো দিবসটি পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘যাত্রী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা জরুরি।’ দিবসটি উপলক্ষে যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় কাজ করা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করবে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি লাঘব, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য, যাত্রী হয়রানি, পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধের মাধ্যমে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি সামনে আনতেই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে দেশে ১৩ সেপ্টেম্বর ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ পালন শুরু হয়। ২০১৯ সাল থেকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতিসহ যাত্রী অধিকার ও সড়ক নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে দিবসটি পালন করে আসছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, বৈশ্বিক যুদ্ধ ও জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগে শিথিলতাসহ নানা কারণে দেশে যাত্রী হয়রানি ও ভাড়া নৈরাজ্য দফায় দফায় বাড়ছে। একই সঙ্গে কমেছে মানুষের যাতায়াতের নিরাপত্তা। পথে পথে ছিনতাই, সড়কে ডাকাতি, দুর্ঘটনাসহ নানা আতঙ্কের মধ্য দিয়ে প্রতিদিন মানুষকে যাতায়াত করতে হচ্ছে। পরিবহনে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতাও বন্ধ হচ্ছে না বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন খাতে ইতিবাচক অগ্রগতি হলেও পরিবহন খাতে তেমন পরিবর্তন আসেনি। পরিবহন খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব বাস্তবতায় এবারের ‘যাত্রী অধিকার দিবস’ আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

রাউজানে পূর্ণিমনী উপলক্ষে আলোচনা সভা, গীতাবিতরণ ও সনাতনী ব্যান্ড সংগীতানুষ্ঠান