
কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানায় কর্মরত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, হয়রানি কিংবা কোনো প্রকার অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ। গত সোমবার ৬ জুলাই ২০২৬ইং তিনি বলেন, “জনগণের নিরাপত্তা ও আইনি সেবা নিশ্চিত করার প্রধান কেন্দ্র হলো থানা। সেখানে সাধারণ মানুষ এসে যদি হেনস্থার শিকার হয়, তবে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।”
স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন অভিযোগ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে এমপি মহোদয় এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
কঠোর হুঁশিয়ারি ও নির্দেশনা
এমপি ড. আতিক মুজাহিদ বলেন, বর্তমান সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসন কোনো ধরনের অপশাসন ও অনিয়মকে প্রশ্রয় দেবে না। রাজারহাট থানার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি পুলিশকে শতভাগ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করতে হবে।
থানায় সাধারণ মানুষের প্রবেশে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের আশ্রয় নেওয়া চলবে না। সেবার মান নিশ্চিতকরণ: জিডি, মামলা কিংবা সাধারণ আইনি পরামর্শের জন্য সাধারণ মানুষকে যেন ঘোরানো না হয়।
প্রতিটি মামলার তদন্ত হতে হবে নিরপেক্ষ এবং প্রভাবমুক্ত। অন্যায়ভাবে কাউকে ফাঁসানো বা অপরাধীকে ছাড় দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংসদ সদস্য আরও উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে থানায় গিয়ে তাদের সমস্যার কথা বলতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে। পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রশাসনের যেকোনো স্তরে দুর্নীতি ও অনিয়ম রুখতে তিনি নিজে নিয়মিত তদারকি করবেন। কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এলে পুলিশ সুপার (এসপি) ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণ এমপি মহোদয়ের এই কঠোর ও স্বচ্ছ অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।


















